অন্তরের আলো ও গুরুর খোঁজ
বাহিরে খুঁজিছ যারে তীর্থ থেকে তীর্থে,
সে তো বসে আছে তব হৃদয়ের তীর্থে।
চোখ মেললেই শুধু জগতের ছায়া,
অন্ধকারে ঢেকে রাখে জগতের মায়ায়।
বাহিরের ভয় যত জড়ায়ে জড়ায়,
সংসার-কোলাহলে মন দিক হারায়।
এমন ক্ষণে যিনি দেখান আলোর পথ,
ভাঙেন ভ্রান্তির যত বাঁধ আর রথ।
তিনিই তো গুরু, যিনি জাগান অন্তরে—
লুকিয়ে থাকা সেই ঈশ্বরকে সকাতরে।
ভয়ের সাগর পার করে দেন অবলীলায়,
ইষ্টেরে মিলায়ে দেন পরম রূপের মায়ায়।
যে জন ব্যাকুল হয়ে বলে, "গুরু, গুরু..."
তারই তো জীবনে পরম আনন্দের শুরু।
খুঁজতে খুঁজতে সে পায় তার অমূল্য সন্ধান,
মিটে যায় আঁধার, জাগে পরম জ্ঞান।
তিনিই সচ্চিদানন্দ, পরম আনন্দময়,
গুরুকৃপাতেই কাটে জীবনের সকল ভয়।
অন্তরে যিনি ঈশ্বর, গুরুই তাঁর চাবিকাঠি,
সেই চরণে সঁপে দিলে মন হয় খাঁটি।