ভাঙা আলো, শক্ত হাতরাতটা অস্বাভাবিক নীরব ছিল।যেন শহরের প্রতিটা শব্দ ইচ্ছা করে চুপ করে গেছে।ইরা জানালার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল অনেকক্ষণ। বাইরে আলো জ্বলছে, মানুষ চলছে—তবু তার ভেতরে অদ্ভুত একটা শূন্যতা।আজ প্রথমবার সে বুঝতে পারছিল, একা থাকা মানে শুধু পাশে কেউ না থাকা নয়—একাই নিজের ভেতরের সঙ্গে আটকে পড়া।পিছন থেকে মায়া এসে দাঁড়াল।কোনো শব্দ না করে।কোনো প্রশ্ন না করে।এই নীরবতাটুকু তারা দু’জনেই চেনে।“তুমি ভেঙে যাচ্ছ,” মায়া ধীরে বলল।কণ্ঠে অভিযোগ নেই—আছে শুধু সত্য।ইরা হেসে ফেলল।কিন্তু সেই হাসিতে কোনো উষ্ণতা ছিল না।“আমি ভাঙিনি,” সে বলল,“আমি বুঝে গেছি… আমি একা।”মায়া এগিয়ে এসে তার সামনে দাঁড়াল।দু’হাত দিয়ে ইরার মুখটা ধরল, জোর করে নয়—ভরসা দিয়ে।“একটা কথা