“এই যুগে ভালোবাসা আসে নোটিফিকেশনে, কিন্তু সায়ার জীবনে প্রথম চিঠিটাই হয়ে উঠল শেষ।”***সায়া কখনো চিঠি পায়নি।এই যুগে চিঠি আসে না—মেসেজ আসে, নোটিফিকেশন আসে, হঠাৎ দেখা যায় “typing…”কিন্তু সেই সকালে, দরজার নিচ দিয়ে সাদা খামটা গড়িয়ে আসার শব্দে সে থমকে গিয়েছিল।খামের ওপর হাতের লেখা—“সায়া”একটাই শব্দ।কিন্তু লেখার ভঙ্গিটা এমন ছিল, যেন কেউ নামটা লিখতে লিখতে থেমে গেছে, আবার লিখেছে, আবার মুছে ফেলতে চেয়েছে।নীলের লেখা।সায়া জানত।কারণ নীলের হাতের লেখা সে চিনত—স্কুলের পুরোনো নোটবইয়ের পাতায়, বেঞ্চের নিচে, পরীক্ষার খাতার শেষ পাতায়।খাম খুলতে তার হাত কাঁপছিল।কেন জানি মনে হচ্ছিল—এই চিঠি খুললে কিছু একটা চিরতরে শেষ হয়ে যাবে।ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো এক টুকরো কাগজ—ভাঁজ করা, বহুবার